ডেলিভারি কেসে ডোনার দিব না !

একটা শিশু যখন পৃথিবীতে আসে, তার আসতে ৯ মাস থেকে ১০ মাস সময় লাগে।

বেবি কনসেপ্ট হবার ১ম ৪/৫ মাস ঝুঁকিপূর্ণ সময় থাকে, এই সময় গর্ভস্রাব/মিসক্যারেজ হতে পারে। ৯/১০ মাসে মায়ের এবং বাচ্চার অবস্থা অনুসারে যেকোন সময় ডেলিভারি/প্রসব করানো হয়ে থাকে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ ১ম সময় ৪/৫ এবং শেষের ৯ম ও ১০ম মাস বাদ দিলে তারপরও রোগির লোকের হাতে ৪ থেকে ৫ মাস হাতে থাকে। এই ৪/৫ মাস ২জন ডোনার খোঁজার জন্য পর্যাপ্ত সময়। এরপরও যদি কেউ তার অনাগত সন্তান এবং তার অনাগত সন্তানের মায়ের জীবনের ঝুঁকি নিতে পারে তাহলে আপনি আমি কে তার স্ত্রীর জন্য কষ্ট নিয়ে রক্ত ম্যানেজ করে দেবার।

তার মানে এই না যে, আমি ডেলিভারি কেসের ডোনার দিতে মানা করছি। ডেলিভারি কেসে কয়েকটা কারনে ব্লাড আর্জেন্ট লাগতে পারে_

১. গ্রামের রোগির লোকদের সচেতনতার অভাব
২. অসাধু ডাক্তারদের অতি আর্থিক লোভ
৩. হঠাৎ ব্লিডিং
৪. ডেটের আগেই হঠাৎ করে ডেলিভারি করাতে হলে
৫. কোন কারনে বাচ্চার অবস্তা খারাপ হলে
৬. আগে থেকে রেডি করে রাখা ডোনার মিসিং হলে

আগে নরমাল ডেলিভারি করা হত এখন, সিজার জন্য বাধ্যতামূলক। পারলে এই সিজার প্রথার ব্যাপারে কিছু করুন।

দুনিয়ার বুকে নতুন অথিতির আগমনে আপনার কি কোন দ্বায় নেই…? আগে আমারও ডেলিভারি কেস শুনলে মেজাজ খারাপ হত। সব সময় তো আর রোগির লোকের দোষ থাকে না। কিন্তু আমরা ডেলিভারি কেস শুনলেই যেমন রিয়েক্ট করে বলি যে “ডোনার দিব না” এমন করাটা কি ঠিক হইতেছে? প্রশ্নটি বিবেকের কাছে।

তাই আগে রোগির লোকদের সাথে কথা বলুন, বিস্তারিত শুনুন, বুঝুন, তারপর সিধান্ত নিন। রোগির লোকের গাফিলতি নাকি অন্য কারও। পুরো কথা শুনুন তারপর সিদ্ধান্ত নিন, আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখিয়েন না।

ভালবাসা অবিরাম।

আমাদের কিছু কথা…

সংগঠন একটি সামাজিক প্রক্রিয়া। যেখানে একদল মানুষ একটি সাংগাঠনিক কাঠামোর অন্তভুক্ত হয়ে নিদিষ্ট কিছু লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন  সর্বদা নিরন্তন। মানবিক আবেদন এর ব্যাতিক্রম নয়।মানবিক আবেদন ও  একটি অলাভ জনক মানবসেবা ও মানব উন্নয়ন মূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মানুষ ও মানবতার সেবায় অঙ্গীকারবদ্ধ।

বাংলাদেশ ইনফরমেশন…

আমাদের অনুসরণ করুন…